হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, লেবাননে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর সৈয়দ মোহম্মদ রেজা মুর্তজাভি এবং লেবাননের খ্যাতনামা খ্রিস্টান রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক, কবি ও লেখক, আহলে বাইত (আ.)-এর অনুসারী 'জোসেফ আল-হাশেম'-এর সাথে সাক্ষাৎ ও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিবর্তন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
আল-হাশেম তার রাজনৈতিক, চিন্তাগত ও সাহিত্যিক পরিপূর্ণ পথ পর্যালোচনা করে জোর দিয়ে বলেন: আমার কার্যকলাপের ভিত্তি প্রথম ধাপে লেবাননের প্রতিরক্ষা এবং ন্যায়বিচার অন্বেষণের মূল্যবোধের প্রতি আনুগত্যের ওপর নির্মিত, যে মূল্যবোধগুলো মুত্তাকীদের নেতা, আমিরুল মুমিনিন, হজরত ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব (আ.)-এর উজ্জ্বল জীবনচরিতের মধ্যে নিহিত।
এই লেবাননি চিন্তাবিদ আরও বলেন: আমিরুল মুমিনিন (আ.)-এর সাথে আমার হৃদয়ের সম্পর্ক কোনো সংকীর্ণ ধর্মীয় অনুভূতি নয়, বরং এটি সত্য, ন্যায়বিচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মূল্যবোধের সাথে একটি মানবিক সম্পর্ক।
মুর্তজাভি তার বক্তব্যের শুরুতে বলেন, ইমাম আলী (আ.) ভূগোল, ধর্ম ও সময়ের সীমানার ঊর্ধ্বে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন: আলীর প্রতি ভালোবাসা প্রত্যেক মুক্ত মানবের মানবিক মর্যাদা, সত্য ও ন্যায়বিচারের সাথে ফিতরাতি (স্বভাবগত) অঙ্গীকার।
লেবাননে ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর আরও বলেন: ইরানের প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ ছিল জিয়োনিস্ট-আমেরিকান যৌথ আগ্রাসনের বৈধ প্রতিক্রিয়া, যা শুধু গাজা ও লেবানন নয়, বরং গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তাকেই লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
উল্লেখ্য, 'জোসেফ আল-হাশেম' লেবাননের খ্যাতনামা খ্রিস্টান রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক, কবি ও লেখক এবং আহলে বাইত (আ.)-এর অনুসারী। তিনি লেবাননের জেবেল লেবানন অঞ্চলের খ্রিস্টান অধ্যুষিত শুফ এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১৯৮৪ সালের সেপ্টেম্বরে রশিদ কারামির সরকারে (যা আমিন জেমায়েলের রাষ্ট্রপতিত্বের সময়কালের সাথে মিলে যায়) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। এছাড়া ১৯৮৭ সালের আগস্ট থেকে ১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি কারামি সরকারে আবাসন মন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আপনার কমেন্ট